মনশ্রী সুস্থ হয়ে উঠুক সবাই চাইছে। ত্রিপুরাবাসী যথেষ্ট তাদের নিজেদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই মনশ্রীর চিকিৎসার সময়সীমা নিয়ে কখনোবা এক মাস কখনো মা দুমাস। আবার কখনো কখনো ওজনের উপর ভিত্তি করে মেডিসিন দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এই বিষয়গুলি জাতিগত হয়ে পড়ছে। প্রায়শই ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র মুসলমান ধর্মের লোকরাই সাহায্য করছ। হিন্দুরা করছে না এ নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও দেখা যাচ্ছে বর্তমান সময়ে। প্রশ্ন হল যখন ক্লাউড ফান্ডিং শুরু হয়েছিল তখন নির্দিষ্ট কোন জাতির উপর ভিত্তি করে শুরু হয়নি। সকল ধর্মের মানুষরাই সমানভাবে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে হিন্দু ধর্মকে অনেকটাই ছোট করে দেখানো হচ্ছে। মনুশ্রীর মা এবং বাবা দুজনই চোখের সামনে দেখছেন নিজের ধর্ম প্রতিনিয়ত অপমানিত হচ্ছে। তারা কিছু বলছেন না কেননা তাদের কাছে টাকাই অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ। কোন নির্দিষ্ট একটি জাতির ভাবাভেগে আঘাত পড়লে তাতে তাদের কিছু যায় আসবে না। স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৩ সালে আমেরিকার শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় ঐতিহাসিক বক্তৃতার মাধ্যমে পাশ্চাত্য সমাজে প্রথম সনাতন বা হিন্দুধর্মের মূল দর্শন প্রচার করেন। কিন্তু একেবারে তার উল্টো দিকে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিন্দুদের খাটু করছেন তাদের মা বাবা। প্রশ্ন উঠেছে এগুলি কবে বন্ধ হবে ?