
সাংসদ পদ ইস্যুতে আরও খানিকটা চাপ বাড়ল তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের উপর। কেন তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল করা হবে না, এ প্রশ্নের জবাব দিতে স্পিকারের কাছে একমাস সময় চেয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। কিন্তু তাঁদের সেই আর্জি সম্পূর্ণরূপে পূরণ হল না। অবস্থান জানানোর জন্য তাঁদের মাত্র দু’সপ্তাহ সময় দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
প্রায় ৩ মাস আগে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের পদ বাতিলের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন করাও অনেকদিন হল। অথচ এখনও এ নিয়ে স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। যার জেরে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় স্পিকার ওম বিড়লাকে। শীর্ষ আদালত বলে দেয়, “তিন মাসের সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন।”
দশম তফসিলের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দ্রুত সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করতে লোকসভার স্পিকারকে পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেয় সুপ্রিম কোর্টে। একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, আগামী একমাসের মধ্যে স্পিকার এবং এনসিপিআই সাংসদদের নিজেদের অবস্থান সুপ্রিম কোর্টে জানাতে হবে। ততদিন ২০ সাংসদের জবাব এবং স্পিকারের প্রক্রিয়ার অগ্রগতির দিকে নজর থাকবে শীর্ষ আদালতের।
এদিকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা আগেই স্পিকারের কাছে নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের দ্রুত পদক্ষেপের পরামর্শের পরই স্পিকার তাঁদের পালটা জানিয়ে দিলেন, চার সপ্তাহ নয়, এনসিপিআই সাংসদরা নিজেদের অবস্থান জানাতে সময় পাবেন ২ সপ্তাহ। আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যেই নিজেদের অবস্থান স্পিকারের দপ্তরকে জানিয়ে দিতে হবে। তারপর ওই সাংসদদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার ওম বিড়লা। স্পিকারের ওই সিদ্ধান্তের ফলে এনসিপিআই সাংসদদের উপর চাপ বাড়ল, সেটা বলাই বাহুল্য।